আজ বৃহস্পতিবার থেকে সেতুর নিরাপত্তায় থাকবে আনসার বাহিনী

স্টাফ: চুক্তি শেষ হওয়ায় পদ্মা সেতু থেকে চলে যাচ্ছে সেনাবাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার থেকে সেতুর নিরাপত্তায় থাকবে আনসার বাহিনী। সেনাবাহিনী চুক্তির মেয়াদ বর্ধিত না হওয়ায় সেনাবাহিনী বেরাকে চলে যাচ্ছে। তাই এখন থেকে সেতু উপরে এবং নিচে ও আশেপাশে সেনা টহল এবং সেনা চেকপোস্ট আর দেখা যাবে না। সেতুর নিরাপত্তা, রক্ষণা বেক্ষন এবং টোল আদায়ের জন্য বিদেশী ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। তারাই সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তাই বিদেশী এই কোম্পানীর অধীনে এখন আনসার বাহিনী সেতুর নিরাপত্তায় থাকবে। তিনি জানান, বুধবার মেয়াদ শেষে হলেও আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১.০০ টায় সেনাবাহিনী সেতুর নিরাপত্তার দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে দিবেন। তিনি জানান, প্রথমে পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ কাজ শুরুর সময় ২০১২ সাল থেকে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় কাজ করে সেনাবাহিনী। পরে ২০১৪ সাল থেকে সেতুর ঠিকাদার কাউন্টডাউন শুরু হয়। এর পর থেকে সেনাবাহিনী পদ্মা সেতু ঘিরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে। সেতু ঘিরে গঠন করাহয় ৯৯ কম্পোজিড ব্রিগেড। সব মিলিয়ে সেনাবাহিনী টানা প্রায় ১০ বছর সেতু নির্মাণের নির্মাণকালীন এবং সেতু উদ্ধোধনের পর নিষ্ঠার সাথে নিরাপত্তার কাজটি করে সেনাবাহিনী। পদ্মা সেতু ঘিরে দুই পারে তৈরি হয়েছে সেনানিবাস। দুইপারেই শেখ রাসেল সেনানিবাসেই থাকবে এখন সেনাবাহিনী। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রজব আলী জানান, ৩১ আগস্ট বুধবার সেনাবাহিনীর সাথে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের চুক্তি শেষ হয়।, তবে সরকার প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় সময় সেনাবাহিনীকে সেতুতে নিয়ে আসতে পারবে। সেতুর দুই প্রান্তেই শেই রাসেল সেনানিবাসেই সেনা সদস্যরা অবস্থান করবে। পদ্মা সেতু ঘিরে এই শেখ রাসেল সেনানিবাস তৈরি করা হয়। সেনাবাহিনীর একজন দ্বায়িত্বশীল রাতে জানিয়েছেন, এরই মধ্যে সেতুতে টহল এবং সেতুর নিচে পদ্মার টহল রাত ১২ টার পর সরিয়ে নেওয় হয়েছে। তবে এখন কিছু সদস্য রয়েছে ০১-০৯-২০২২দুপুর ১.০০ টায় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে নিরাপত্তার দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার পর বাকিরাও বেরাকে ফিরবে। তিনি জানান, সেনাবাহিনীর প্রায় ৩ হাজার সদস্য সেতু নিরাপত্তায় কাজ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *