ও এমএস কার্যক্রমের চাল ও আঠা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল

মোঃ রুবেল, মুন্সীগঞ্জ: ওএমএস কার্যক্রমের চাউল ও আঠা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন এ কার্যক্রমের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা। দেশে নিত্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নি¤œ আয়ের মানুষের কথা চিন্তা করে সরকার ওএমএস কার্যক্রম চালু করে। এ কার্যক্রমে প্রতিকেজি চাউলের দাম ৩০টাকা ও প্রতি কেজি আঠার মুল্য ১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু প্রতিটি ওএমএস সেন্টার ঘুরে দেখা যায়, নি¤œ আয়ের মানুষের উপচে পড়া ভীড়। দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনে চাউল পাবার আশায়। মুন্সীগঞ্জের প্রতিটি সেন্টারে ৫’শত কেজি করে চাউল ও ৫’শ কেজি করে আঠা বিক্রি হচ্ছে বলে জানা যায়। কিন্তু সরকার নির্ধারিত নির্দেশনায় প্রতিটি ওএমএস সেন্টারে প্রতিদিন ১হাজার কেজি চাউল ও ১ হাজার কেজি আঠা বিক্রির বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। সরেজমিনে এর উল্টো দৃশ্য দেখা যায়। এতে করে নি¤œ আয়ের মানুষের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। অনেককেই দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে অপেক্ষা করে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে। অপরদিকে যারা চাউল ও আঠা পেয়েছেন তারা হাসি মুখেই বাড়ি ফিরেছেন।

চাউল নিতে আসা লাবলী বেগম (৩৭) জানায়, বাজারের তুলনায় ওএমএস সেন্টারে চাউলে দাম কম হওয়ায় আমরা এখানে চাউল নিতে এসেছি। দীর্ঘক্ষণ লাইন ধরে দাড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত গাড়ি আসেনি। এ কার্যক্রমে আমরা খুশি। সরকারকে ধন্যবাদ জানায়। আমাদের কিছুটা হলেও সুবিধা হচ্ছে।

চাউল না পাওয়া সুফিয়া বেগম (৩৩) বলেন, দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করেছি। সিরিয়াল আসার পর ওনারা বললেন, ৫’শ কেজি চাউল ও ৫’শ কেজি আঠা এসেছিল শেষ হয়ে গেছে। আজকে আর চাউল বা আঠা পাওয়া গেল না।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মুন্সীরহাট সেন্টারের দায়িত্বপালনকারী মোঃ আসলাম ও মোঃ জাহাঙ্গীর জানায়, প্রতিদিন ৫’শ কেজি চাউল ও ৫’শ কেজি করে আঠা দিচ্ছে সরকার। যা নি¤œ আয়ের মানুষের চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। আমাদেরকে যদি ১হাজার কেজি চাউল ও ১ হাজার কেজি আঠা দেওয়া হতো তাহলে যে পরিমান লোকজন আসেন তাদের প্রত্যেকেই চাউল ও আঠা দেওয়া সম্ভব হবে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (দাঃ প্রাঃ) মোঃ কামাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় ২০টি ওএমএস সেন্টার ও অন্যান্য উপজেলায় ২টি করে মোট ১০সহ ৩০টি সেন্টারে ওএমএস কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতি কেজি চাউল ৩০ টাকা ও প্রতি কেজি আঠা ১৮ টাকা মুল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রত্যেকে ৫ কেজি চাউল ও ৫ কেজি আঠা গ্রহণ করতে পারবে। যেটি নি¤œ আয়ের মানুষের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি সেন্টারে ১হাজার কেজি চাউল ও ১হাজার কেজি আঠা বিক্রির সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *