নারী ও শিশুর সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে

কাজী বিপ্লব হাসান ঃ নারী ও শিশুর সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ,মুন্সীগঞ্জে এক “মত বিনিময় সভা” অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ মহিলা অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় সকাল ১০ টায় জেলা সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে উক্ত মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শিলু রায় উক্ত মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন। এ ছাড়া বিশেষভাবে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসিনা ফেরদৌস, জেলা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. মনি দাস, জেলা শিক্ষা অফিসার বেনজির আহমেদ, জেলা ব্র্যাকের কর্মকর্তা ফিরোজ ভূঁইয়া, লৌহজং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আরাধনা কর্মকার, সিরাজদিখান উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শান্তা পাল, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এ্যাডভোকেট সোহানা তাহমিনা, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের প্রাক্তন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউল ইসলাম হিরু, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোহেল রানা রানু। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন উপজেলার মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যানগণ, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষকগণ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকর্মী, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও সাংবাদিকগণ। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কী কী করণীয় এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব কী এ বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক আলেয়া ফেরদৌসী। সভাপতির ভাষণে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শিলু রায় বলেন, বাল্য বিবাহের একটি প্রধান কারণ হচ্ছে দারিদ্র্য। অনেকে দারিদ্র্যের জন্য মেয়েকে পড়াশোনা না করিয়ে অল্প বয়সে বিয়ে দিতে চায়। এছাড়া যৌতুক প্রথা আরেকটি কারণ। অল্প বয়সে বিয়ে দিলে যৌতুক লাগে না। বয়স বেশি হয়ে গেলে যৌতুক বেশি দিয়ে মেয়ে বিয়ে দিতে হয়। এই ধারণা থেকে অনেকে নিজ মেয়েকে ১৮ এর আগেই বিয়ে দিতে চায়। সমাজ থেকে তাদের এ ভুল ধারণাগুলো বদলাতে হবে। এ জন্য বিভিন্ন সময়ে উঠান বৈঠক করে তাদের একত্র করে বোঝাতে হবে। সরকারের একক পক্ষে বাল্য বিবাহ করা সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে বাল্য বিবাহ রোধে। পরিশেষে সভাপতির ভাষণের মাধ্যমে মতবিনিময় সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *