মুন্সীগঞ্জের চম্পাতলা গ্রামে পানচাষীর পানের বোরজ ভেঙে তছনছ করলো দুষ্কৃতিরা!

স্টাফ:: মুন্সীগঞ্জের পঞ্চসার ইউনিয়নের পৃর্ব চম্পাতলা গ্রামে দুআ সহোদর পানচাষীর পানের বোরজ ভেঙ্গে তছনছ করে দিয়েছে দুষ্কৃতিরা। এ সময় বাঁধা দিলে দুষ্কৃতিকারীরা ওই পানচাষীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্পত্তি বিরোধের জের ধরে আজ  মঙ্গলবার বেলা ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের পৃর্ব চম্পাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে,  মুন্সীগঞ্জের পৃর্ব চম্পাতলা গ্রামের মৃত আক্কাস মন্ডলের ছেলে পানচাষী আওলাদ  হোসেন মন্ডল ও আবুল হোসেন মন্ডল দুই সহোদর দীর্ঘবছর যাবৎ সরকারী লিজের জায়গায় পানচাষ করে আসছিলেন।ওই লিজের সম্পত্তি দখল নিতে পানচাষী দুই সহোদরের অপর আপন ভাই আবুল কালাম মন্ডল ও তার ছেলে শাহরিয়ার মুরাদ মঙ্গলবার সকালে ১০/১৫জন একটি দলবল নিয়ে পানের বোরজে হামলা চালিয়ে ভেঙ্গে তছনছ করে দেয়।এ সময় দুষ্কৃতিকারীরা পানচাষীদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিলে তারা ভয়ে বাড়ির ভেতর দাঁড়িয়ে থাকেন।এদিকে এই এখর পেয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছলে  দুষ্কৃতিকারীরা ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়ে।
ক্ষতিগ্রস্ত পানচাষী আওলাদ হোসেন মন্ডল জানান,আমার বাবা মৃত আক্কাস মন্ডল এই লিজের জায়গায় আমাদেরকে চাষবাস করার জন্য বলে যান।তখন থেকেই আমরা এ জায়গায় দুই সহোদর ব্যাংক থেকে  ঋণ নিয়ে পানচাষ করে আসছি। দেড় বছর হয়েছে নতুন করে  চালতাগোটা, মহালানী ও গোয়ান্তর জাতের পানের বোরজ তৈরী করা হয়েছে। কিছুদিন পরে পান তুলবো।কিন্তু এ জায়গা দখল নেয়ার জন্য আবুল কালাম মন্ডল ও তার ছেলে শাহরিয়ার মুরাদ দলবল নিয়ে আমাদের পানের বোরজ ভেঙ্গে তছনছ করে দিয়েছে।এতে আমাদের ২ লক্ষ টাকার মতো ক্ষতি হয়ে গেলো।
এদিকে  শাহরিয়ার মুরাদ বলেন, চম্পাতলা মৌজার ভিপি কেস নং ১২/৮৩ এ তফসিল বর্ণিত ২৮ একর সম্পত্তি আমার বাবা আবুল কালামের নামে লিজ নেয়া। ওই সম্পত্তি আমার দুই চাচা দেখাশুনা করতেন।কিন্তু আমরা যখন আমাদের লিজ নেয়া সম্পত্তিতে বসতবাড়ি করবো তার জন্য বারবার তাদের উঠে যেতে বলেছি।কিন্তু তারা জায়গা দখল করে রেখেছেন।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক জানান,পানের বোরজ ভেঙ্গে ফেলচ্ছে এমন খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *