মুন্সীগঞ্জের শিলইয়ের চরবেহেরপাড়ায় ককটেল বিস্ফোরণ

মুন্সীগঞ্জের শিলইয়ের চরবেহেরপাড়ায় ককটেল বিস্ফোরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের বেহেরপাড়া গ্রামের জেদাল মোল্লার বাড়িতে জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় প্রতিপক্ষ।
সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত শনিবার ১২ ফেব্রæয়ারি রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চরবেহেরপাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষ হায়দার সরকার, তার ছেলে হযরত আলী এবং তার ১৫/২০ জনের দলবল নিয়ে মৃত জেদাল মোল্লার ছেলে সৌদি প্রবাসী রিফাত হোসেন কোকোকে খুঁজতে যায়। এ সময় তারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে ওই বাড়িসহ আশপাশে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে লাল টেপ দিয়ে মুড়ানো একটি ককটেল ও  উঠানের দুই পাশে ককটেলের দুটি কৌটার ভগ্নাবশেষ দেখা যায়।

ঘটনার বিবরণে মৃত জেদাল মোল্লার স্ত্রী নিবারন বেগম (৬০) জানান, গত ১২ই ফেব্রæয়ারি শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হায়দর সরকার, হযরত আলী ও তাদের দলবলসহ আমার বাড়িতে লাঠিসোটা, ককটেল ও অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ঘরের দরজার সামনে এসে ডাকচিৎকার করে এবং দরজা খুলতে বলে। পরে দরজা না খুলে জানালা খুলে দেখি আমার উঠানে ১৫/২০জন লোক জমায়েত রয়েছে। পরে হায়দর সরকার ও হযরত আলী বারবার আমার ছেলে কোকোকে বের করে দিতে বলে। এসময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও আমার ছেলেকে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়। এমনপরিস্থিতি ঘরের দরজা না খোলায় আমার বাড়ির উঠানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। ককটেলের বিস্ফোরণে চারদিক শব্দ ও ধোয়ায় ভরে যায়। পরে আশেপাশের লোকজন জড়ো হলে তারা চলে যায়।

বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেশী ফরিদা বেগম (৬০), মনোয়ারা বেগম (৫০), কল্পনা বেগম(৫০), আব্দুল হক(৫৫), কাইয়ুম খাঁ, সিরাজ বেপারী (৬৫) বলেন, ঘটনার রাতে নিবারণ বেগম ও তার পরিবারের লোকজনের ডাক-চিৎকার এবং বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনে জেদাল মোল্লার বাড়িতে এসে দেখি ২০/২৫ জনের একটি দল দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তাদের হাতে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র ছিলো।

চাঁনমিয়া ঢালীর স্ত্রী রুমা বেগম (৪৫) বলেন, আমরা ঘরের ভিতরে শুয়ে ছিলাম। এমনসময় তারা ককটেল ফাটায় এবং চারদিকে শব্দ ও ধোয়ায় ভরে যায়। লোকজন যাওয়ার পর ঘরের বাইরে বের হই। এসময় আমার পায়ের সাথে লাল কৌটা পরে এবং তা লাথি মেরে দুরে দেই। পরে লোকজন বলে এটি বোম বোম। পরে দেখি এটি সত্যি সত্যিই ককটেল।

প্রতিবেশী কায়ুম খাঁ বলেন, রাতে শব্দ শুনে ছুটে আসি। এসে দেখি চারদিকে ধোয়ায় ভরে গেছে। লোকজন জড়ো হওয়ার পরে তারা দৌড়ে চলে যায়।

এ বিষয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান, রিফাত হোসেন কোকো ও তার মা নিবারণ বেগম।
এ বিষয়ে শিলই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার দাদন ঢালীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনার দিন ঐ এলাকায়ই আমি মাহফিলে ছিলাম। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে স্পটে যাই এবং ককটেল বিস্ফোরণের সত্যতা পাই।

মুন্সীগঞ্জের শিলইয়ের চরবেহেরপাড়ায় ককটেল বিস্ফোরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের বেহেরপাড়া গ্রামের জেদাল মোল্লার বাড়িতে জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় প্রতিপক্ষ।
সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত শনিবার ১২ ফেব্রæয়ারি রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চরবেহেরপাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষ হায়দার সরকার, তার ছেলে হযরত আলী এবং তার ১৫/২০ জনের দলবল নিয়ে মৃত জেদাল মোল্লার ছেলে সৌদি প্রবাসী রিফাত হোসেন কোকোকে খুঁজতে যায়। এ সময় তারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে ওই বাড়িসহ আশপাশে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে লাল টেপ দিয়ে মুড়ানো একটি ককটেল ও  উঠানের দুই পাশে ককটেলের দুটি কৌটার ভগ্নাবশেষ দেখা যায়।

ঘটনার বিবরণে মৃত জেদাল মোল্লার স্ত্রী নিবারন বেগম (৬০) জানান, গত ১২ই ফেব্রæয়ারি শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হায়দর সরকার, হযরত আলী ও তাদের দলবলসহ আমার বাড়িতে লাঠিসোটা, ককটেল ও অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ঘরের দরজার সামনে এসে ডাকচিৎকার করে এবং দরজা খুলতে বলে। পরে দরজা না খুলে জানালা খুলে দেখি আমার উঠানে ১৫/২০জন লোক জমায়েত রয়েছে। পরে হায়দর সরকার ও হযরত আলী বারবার আমার ছেলে কোকোকে বের করে দিতে বলে। এসময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও আমার ছেলেকে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়। এমনপরিস্থিতি ঘরের দরজা না খোলায় আমার বাড়ির উঠানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। ককটেলের বিস্ফোরণে চারদিক শব্দ ও ধোয়ায় ভরে যায়। পরে আশেপাশের লোকজন জড়ো হলে তারা চলে যায়।

বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেশী ফরিদা বেগম (৬০), মনোয়ারা বেগম (৫০), কল্পনা বেগম(৫০), আব্দুল হক(৫৫), কাইয়ুম খাঁ, সিরাজ বেপারী (৬৫) বলেন, ঘটনার রাতে নিবারণ বেগম ও তার পরিবারের লোকজনের ডাক-চিৎকার এবং বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনে জেদাল মোল্লার বাড়িতে এসে দেখি ২০/২৫ জনের একটি দল দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তাদের হাতে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র ছিলো।

চাঁনমিয়া ঢালীর স্ত্রী রুমা বেগম (৪৫) বলেন, আমরা ঘরের ভিতরে শুয়ে ছিলাম। এমনসময় তারা ককটেল ফাটায় এবং চারদিকে শব্দ ও ধোয়ায় ভরে যায়। লোকজন যাওয়ার পর ঘরের বাইরে বের হই। এসময় আমার পায়ের সাথে লাল কৌটা পরে এবং তা লাথি মেরে দুরে দেই। পরে লোকজন বলে এটি বোম বোম। পরে দেখি এটি সত্যি সত্যিই ককটেল।

প্রতিবেশী কায়ুম খাঁ বলেন, রাতে শব্দ শুনে ছুটে আসি। এসে দেখি চারদিকে ধোয়ায় ভরে গেছে। লোকজন জড়ো হওয়ার পরে তারা দৌড়ে চলে যায়।

এ বিষয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান, রিফাত হোসেন কোকো ও তার মা নিবারণ বেগম।
এ বিষয়ে শিলই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার দাদন ঢালীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনার দিন ঐ এলাকায়ই আমি মাহফিলে ছিলাম। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে স্পটে যাই এবং ককটেল বিস্ফোরণের সত্যতা পাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *