মুন্সীগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেসক্লাব

জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৪ ইং । এ প্রেস ক্লাব তৈরীর পর থেকে একটি বড় অংশ সাংবাদিকগণ বিরোধীতা করে আসছে। কেন এ বিরোধীতা ? কারণ এক সময় টেলিফোন ফ্যাক্স ছিল ,মোবাইল ছিল। তাতে ও সাংবাদিকতায় এত সহজে খবরা-খবর সঠিক সময়ে পৌছানো সম্ভব হতো না কারণ সাংাবদিকতায় অত্যন্ত জরুরী ছিল আধুনিককরণ । সেই আধুনিকতা সহজ করে দিল কম্পিউটার ও স্মার্ট ফোন মাধ্যমে, ই-মেইল, ইয়াহু, ম্যাসেঞ্জার ওয়াটসঅ্যাপ, এই প্রযুক্তিগুলো আধুুনিককরণে শীর্ষে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। অথচ একটি দুষ্টচক্র লোকগুলো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেও পিছে টেনে নিচ্ছে বাংলাদেশকে। অথচ শেষ মুহুর্তে এসে অনলাইন পত্রিকাগুলো নিবন্ধন দিতে সরকার বাধ্য হলো কেন? যেহেতু সকাল ভোরের ছয়টার দুর্ঘটনা বা দূরের কোন খবরাখবর পেতে ৬:৫ মি: সারা বিশ্ব জেনে যাচ্ছে। অনলাইন নিউজ ও ফেসকুকের মাধ্যমে আগে এই ৫ টার খবর পেতে তার পরের দিন সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো। অথচ অনলাইন পত্রিকাও ফেসবুকগুলো সরকারের কোন সুযোগ সুবিধাই পায়নি বটে। পকেটের পয়সা খরচ করে অনলাইন পত্রিকাও ফেসবুক এর মাধ্যমে হাজার হাজার টাকা খরচ করে চালাচ্ছে। তবে কেন অনলাইন পত্রিকার বিরোধিতা করা হচ্ছে। মানছি অনলাইন হোক প্রেস-পত্রিকা হোক সব জায়গাতেই কিছু না কিছু অসাধু লোক রয়েছে। এই অসাধু লোকেগুলোকে আইনের আওতায় এনে তাদের কঠিন শাস্তি দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসক , তথ্য মন্ত্রণালয়ে ও পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করা যাচ্ছে। প্রতিটি জেলায় পত্রিকা বিহীন অনলাইন বিহীন কিছুনা কিছু অসাংবাদিকতা রয়েছে। তাদেরকে প্রেসক্লাবমুখী করে যাচাই বাছাই করে প্রত্যেক ক্লাবের সভাপতি সেক্রেটারিকে নির্দেশনা দিয়ে সহজেই যাচাই বাছাই করা যেতে পারে। সরকারী উপরোস্থ কর্মকর্তাদের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করার লক্ষ্যে সকল সাংবাদিকদের যাচাই বাছাই করে সাংবাদিকতা করার অনুমতি দেয়া হলে অসৎ সাংবাদিকতা কমে যাবে বলে সকলে মনে করেছেন। মুন্সিগঞ্জ এই ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালে জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাব গঠন করা হয়। সূচনালগ্ন থেকে মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের যারা জড়িত ছিলেন তারা হলেন, আতিকুর রহমান টিপু, মাহবুব আলম লিটন, আবু সাইদ সোহান, আব্দুছ ছালাম, শেখ আলী আকবর, শেখ শিমুল সহ আরো অনেকেই রয়েছেন। এক সময় এই প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে সাবেক সভাপতি মীর নাছিরউদ্দিন উজ্জ্বল, রাসেল মাহমুদ এবং বাংলাদেশ সাংবাদিক ইউনিয়নের ৫ বারের সভাপতি শাহজাহান খান পুলিশের ঊর্ধোস্থ কর্মচারি মোস্তাফিজুর রহমান ছাড়াও আরো অনেক অতিথীবৃন্দ ছিলেন। বড় আফসোসের বিষয় কিছু অসাংবাদিক মুুন্সিগঞ্জ জেলা অনলাইনের প্রেসক্লাবের বিরোধীতা করে আসছেন। অবাক করার বিষয় আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কিছুটা দেরি করে হলেও অনলাইন প্রোর্টাল গুলোকে রেজিস্ট্রেশন করার অনুমতি দিয়েছেন। আজ হোক বা কাল সারা বিশ্ব অনলাইন প্রোর্টালগুলো গর্জে উঠবে, সত্যের বার্তা নিয়ে। আপনাদের কাছে আমাদের বিশেষ আহবান থাকছে যে , অনলাইন নিউজকে ছোট করে না দেখার জন্য। আসুন আমরা সবাই মিলে সত্যের বার্তা দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশকে গড়ে তুলি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *