তুষার আহাম্মেদ –  অঙ্কন দও হত্যা মুন্সীগঞ্জের মেধাবী শিক্ষার্থী অঙ্কন দত্ত হত্যার রহস্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উদঘাটন করতে এখনো পারেনি। অঙ্কন শহরের কে. কে. গভঃ ইনস্টিটিউশনের ছাত্র ছিল।

এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী অঙ্কন দত্ত ছুরিকাহত হওয়ার এক মাস ১৩ দিন পর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৯ মে মারা যায়। ছুরিকাহত হওয়ার পর থেকে পুলিশের কোনো ভূমিকা ছিলো না। অঙ্কন দত্ত কে কে গভঃ ইনষ্টিটিউশনের মেধাবী ছাত্র এবং ফাষ্ট বয় ছিলো। মৃত্যুর পর স্কুলের কোনো শিক্ষক তাদের সান্ত্বনা দিতে বাসায় যায়নি এবং হত্যাকারীদের চিহ্নিত করেনি পুলিশ।

মামলার কোনো অগ্রগতিও নেই। এই অবস্থায় পিবিআইয়ে মামলাটি হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন নিহত অঙ্কন দত্তের বাবা নির্মল দত্ত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ জেলা নাগরিক কমিটির একটি প্রতিনিধি দল নিহত অঙ্কন দত্তের বাসায় গেলে অঙ্কনের বাবা নির্মল দত্ত এসব অভিযোগ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক আরিফ-উল- ইসলাম, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোজাম্মেল হোসেন সজল, জাহাঙ্গীর আলম ঢালী, সোনিয়া হাবিব লাবনী, আরিফ মোড়ল, সাইফুল ইসলাম সোহাগ, মামুনুর রশীদ খোকা  প্রমুখ।

এদিকে, হত্যাকারীদের সনাক্তের দাবিতে জেলা শহরের কয়েক দিন যাবৎ শহরের কলেজে , হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা করছে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল। তাদের একটাই দাবি দূত হত্যাকারিদের চিহ্নিত করার। এতে জেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সুশীল সমাজের লোকজন অংশগ্রহন করে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *